1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. খেলাধুলা
  5. বিনোদন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. সারাদেশ
  8. ক্যাম্পাস
  9. গণমাধ্যম
  10. ভিডিও গ্যালারী
  11. ফটোগ্যালারী
  12. আমাদের পরিবার
ঢাকা , শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬ , ১৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

১০ কাঠা জমিতে ৯২ মণ হলুদ! পুঠিয়ার মিজানের অভাবনীয় সাফল্য

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপলোড সময় : ২২-০১-২০২৬ ১১:৩৩:৪৩ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ২২-০১-২০২৬ ১১:৩৩:৪৩ অপরাহ্ন
১০ কাঠা জমিতে ৯২ মণ হলুদ! পুঠিয়ার মিজানের অভাবনীয় সাফল্য ছবি: দৈনিক সোনালী রাজশাহী
রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার গন্ডগোহালী গ্রামের তরুণ কৃষক মো. মিজানুর রহমান (মিজান) হলুদের বাম্পার ফলন ঘটিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছেন। মাত্র ১০ কাঠা জমিতে তিনি ৯২ মণ ‘পাবনায়া’ জাতের হলুদ উৎপাদন করে দেশের হলুদের চাহিদা পূরণে এক অনন্য উদাহরণ তৈরি করেছেন।

 
​সরেজমিনে দেখা যায়, মিজানুর রহমানের খেতের প্রতিটি হলুদের ছড়া বা ঝাড়ে প্রায় দেড় থেকে দুই কেজি করে হলুদ পাওয়া যাচ্ছে। মিজান জানান, এই চাষে তার মোট খরচ হয়েছে মাত্র ২২ হাজার ৫০০ টাকা। বর্তমানে ১ হাজার ৬০০ টাকা মণ দরে তিনি ইতোমধ্যে ৮০ মণ হলুদ বিক্রি করেছেন। এছাড়া বীজের জন্য ঘরে রেখেছেন আরও ১২ মণ (হলুদ ও মোথা)। সেই হিসেবে মাত্র ১০ কাঠা জমি থেকে তার আয় হয়েছে লক্ষাধিক টাকার উপরে।

 
​চাষী মিজানুর রহমান বলেন, "বাংলাদেশের ইতিহাসে পাবনায়া জাতের হলুদের এমন ফলন আগে কখনও দেখা যায়নি। আমি মনে করি, ভালো বীজের গুরুত্ব অপরিসীম। বাজারমূল্য থেকে ৫০০ টাকা বেশি দিয়ে হলেও ভালো বীজ সংগ্রহ করলে এমন সাফল্য পাওয়া সম্ভব।"

 
​দীর্ঘদিন ধরে হলুদ ব্যবসার সাথে জড়িত পাইকারি ক্রেতা মাসুদ রানা জানান, তার ব্যবসায়িক জীবনে ১০ কাঠা জমিতে এত ফলন তিনি আর কখনও দেখেননি। তিনি নিজেই ওজন দিয়ে ৮০ মণ হলুদ ওই খেত থেকে কিনে নিয়েছেন। তার মতে, পুঠিয়া অঞ্চলে এই প্রথম এত ফলনশীল হলুদ দেখা গেল।
​​
​পুঠিয়া উপজেলা কৃষি অফিসার স্মৃতি রানী সরকার এই সাফল্যকে অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তিনি বলেন, "আমরা সবসময় কৃষকদের পাশে আছি। আমবাগান বা পরিত্যক্ত উঁচু জমিগুলো হলুদের চাষের আওতায় আনতে পারলে দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও হলুদ রপ্তানি করা সম্ভব হবে। মিজানের এই সফলতা অন্য কৃষকদেরও উৎসাহিত করবে।"

নিউজটি আপডেট করেছেন : Daily Sonali Rajshahi

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ